বৃহস্পতিবার | ১৮ই জুলাই, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ | ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

হবিগঞ্জে মাদ্রাসা ছাত্রকে অমানবিক নির্যাতন।।

প্রকাশিত :

বানিয়াচং প্রতিনিধি: হবিগঞ্জের একটি মাদ্রাসায় ছাত্রকে অমানবিক নিষ্ঠুর নির্যাতনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম হাফেজ ক্বারী ফয়েজ আহমদ। বর্তমানে ওই শিক্ষক মাদরাসা থেকে পালিয়েছেন বলে অবিভাবকরা জানিয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (৭ জুলাই) দিবাগত রাত ৮ টায় হবিগঞ্জ উত্তর শ্যামলী মাদরাসা তাহমিদুল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ নামক প্রতিষ্ঠানে।নির্যাতিত ছাত্র মো: সিয়াম আহমেদ সৌরভ (১১), সে হবিগঞ্জ মাদরাসা তাহমিদুল কুরআন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ নামক প্রতিষ্ঠানের হিফজ বিভাগের ছাত্র।ইতিমধ্যে সে ৫ পাড়া কুরআন সবক সম্পন্ন করেছে।

মাদ্রাসা ছাত্র সিয়াম বানিয়াচং উপজেলার গরীব হোসেন মহল্লার মালদ্বীপ প্রবাসী সাইদুর রহমানের পুত্র।নির্যাতিত ছাত্র সিয়াম আহমেদ সৌরভ জানায় ফয়েজ হুজুর আমাকে অনেক দিন মারপিট করেছেন। দুইমাস পূর্বে আমার বাবার সাথে মোবাইল ফোনে আলাপের দায়ে হুজুর আমাকে মারপিট করেন।

তারপর ওই রাতে বারবার মারপিট করায় আমি মাদরাসায় দুইমাস যাবত যাইনি।শুক্রবারে হুজুর আমাদের বাড়িতে এসে আমার মাকে ফুসলিয়ে আমাকে আবার নিয়ে যান।

আমার দুই ফুফাতো ভাই আমাকে মাদরাসায় হুজুরের নিকট সমজিয়ে দিয়ে তারা চলে আসার পরপরই ফয়েজ হুজুর আমাকে মারতে থাকেন।
পরের দিন আমি পালিয়ে আসি।

এব্যাপারে ওই ছাত্রের ফুফাতো ভাই মো: রাহুল হোসেন জানান, যে মারপিট করছে ফয়েজ হুজুর তা মানুষ মানুষকে এভাবে মারতে পারেনা।নির্যাতিত ছাত্র সিয়াম আহমেদর নানা বৃদ্ধ নুরুজ্জামান মিয়া জানান,মাদ্রাসায় গিয়ে ওই ফয়েজ হুজুরকে পাইনি।

শুনেছি তিনি মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল। প্রিন্সিপালের বিচার করার মত কোন লোক পাইনি। এখন আমরা কার কাছে বিচার চাইবো। ছাত্রের মা শিবলী আখতার বলেন, আমি ওই হুজুর নামক কসাইর বিচার চাই।

এব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক ফয়েজ আহমদের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে মোবাইলটি বন্ধ পাওয়া গেছে।মাদরাসার ক্যালেন্ডারে দেওয়া একটি মোবাইল নম্বরে (০১৭১০৫১৩০৬৭) যোগাযোগ করা হলে নিজের নাম প্রকাশে অস্বীকার করে ওই ব্যাক্তি জানান, ছাত্রের পরিবারের সাথে বিষয়টি সমাধান হয়েছে। ওই ব্যাক্তি পুনরায় বলেন হুজুরের মান সম্মান বিবেচনা করে সংবাদটি প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ জানান।

আজকের সর্বশেষ সব খবর