শনিবার | ২৯শে নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ | ১৪ই অগ্রহায়ণ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

সিলেটে জমে উঠেছে ঈদের বাজার।

প্রকাশিত :

আবদুল হক মামুন।। সিলেট জমে উঠেছে ঈদের বাজার। বিপণী বিতান গুলোতে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীর লক্ষ করা গেছে।

আসন্ন রোজা ঈদ কে সামনে রেখে সিলেটের প্রতিটি বিপণী বিতান লোকে লোকারণ্য। তিন ধারনের যেব ঠাঁই নেই। সন্ধ্যা থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কেনাকাটায় ব্যস্ত সিলেটের মানুষ।

সিলেট নগরীর জিন্দাবাজার, নয়াসড়ক কুমারপাড়া, আম্বরখানা, হাসান মার্কেট ও লালদিঘীর পাড় হকার মার্কেটে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভীর দেখা যায়।
সিলেট মানুষ নারীপুরুষ ও শিশুরা রমজানের ১৫ থেকে কেনাকাটা শুরু করে চাঁদ রাত পর্যন্ত কেনাকাটা করে থাকেন।

বিপণী বিতান গুলোতে মুলত সন্ধ্যার পর থেকে লোকজনের ভীর বাড়তে শুরু করে।

এই ভীর গভীর রাত পর্যন্ত চলমান থাকে। ঈদের কেনাকাটা রাত ৩ টা পর্যন্ত চলতে থাকে। অনেকেই আবার কেনাকাটা শেষে জিন্দাবাজারের আশপাশে হোটেল রেস্তোরাঁয় দলবেঁধে সেহরির পর্বও সেরে নেন।

প্রতি ঈদের ন্যার এবারও সিলেটের প্রতিটি বিপণী বিতানে কেনাকাটা বেশ জমে উঠেছে।

বেচাকেনা ভাল হওয়ার দোকানদারও বেশ খুশি।
ঈদ কে সামনে রেখে প্রতিটি দোকানে নারীপুরুষ ও শিশু দলবেঁধে কেনাকাটা করছেন অনায়াসে। যদিও শেষের দিকে জামাকাপড়ের দাম একটু বেশি বলে অনেক ক্রেতা মনে করছেন।

সিলেট নগরীর জিন্দা বাজারের সিটি সেন্টার, আল হামরা শপিং সিটি, ব্লু ওয়াটার, কানিজ প্লাজা, লতিফ সেন্টার, কাকলি সেন্টার, মিলিনিয়াম শপিংমল, কাজী ম্যানশন, শুকরিয়া মার্কেট, মধুবন সুপার মাার্কেট,সিলেট প্লাজা, কাকলি সেন্টার, ওয়েস্ট ওয়াল্ড, হাসান মার্কেট, হকার মার্কেট এবং পূর্ব জিন্দাবাজারের বিভিন্ন কাপড়ের শোরুম, নয়াসড়ক, কুমারপাড়া, আম্বরখানা এবং আড়ং সহ এসব এলাকায় ঘুরে ঘুরে এসব চিত্র পাওয়া যায়।

কেনাকাটা করতে আসা জনাব আলা উদ্দিনের সাথে আলাপ কালে তিনি বলেন, বাচ্চাদের কাপড়ের দাম একটু বেশি হলেও তিনি পছন্দের সহিত কিনতে পেরেছেন তবে মহিলাদের জামার দাম খুবই বেশি।

অপরজন জাহিদুল ইসলামের ও সাদিকুর রহমানের সাথে আলাপ কালে তারাও বলেন, রোজার শুরুর দিকে জামা কাপড়ের দামের সাথে বর্তমানে মিল পাওয়া যাচ্ছে না। তবে কিছু দোকানীরা জামার মূল্য না লিখে তাদের কোর্ড ব্যবহারের ফলে ইচ্ছে মাফিক দাম হাঁকাচ্ছেন।

এতে ক্রেতারা দামদর করে জামা কিনতে দেখা যায়। কেউ হয়তো সঠিক দামে কিনছেন বা দোকানী দের কৌশলী মূল্যের কাছে ঠগে যাচ্ছেন। অনেকের দাবী জামার গায়ে সঠিক মূল্য লিখা ভাল, এতে ক্রেতারা একদামে কিনতে পারবেন। যাতে কেনার ক্ষেত্রে দামাদামির সুযোগ না থাকে। তা হলে দ্রুত কেনাকাটা শেষ করা যায়।

তবে সিলেটের অধিকাংশ বিপণী বিতানে জামার গায়ে মূল্য লিখা থাকায় দরদাম করার সুযোগ থাকে না। ক্রেতাদের সময়ও বাঁচে দামাদামি ও করতে হয় না।

একজন ব্যবসায়ী প্রশ্ন করলে তিনি জানান, আমরা ক্রেতাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত মূল্য নিচ্ছি না তবে কাপড়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় আমরা ও বেশি দামে বিক্রি করতে বাদ্য হই। তাদের দাবী অতিরিক্ত দামে তারা জামা কাপড় বিক্রি করছেন না। তবে দুই একজন হয়তো উচ্চ হারে মুনাফা করছে।

যদি-ও কাপড়ের দাম বেশি তারপর পরিবার পরিজনদের জন্য গভীর রাত পর্যন্ত কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় পার করছেন সিলেটের মানুষ।

চাঁদ রাত পর্যন্ত সিলেট মানুষ দলবদ্ধ হয়ে গভীর রাত পর্যন্ত কেনাকাটা করবে এটা সিলেটের ঐতিহ্যের মধ্যে পড়ে।
অপরদিকে সিলেটের ব্যবসায়ীরা বেচাকেনা ভাল হওয়ার তারাও বেশ খুশি।

ব্যবসায়ীদের আশা চাঁদ রাত পর্যন্ত বেচাকেনা চলমান থাকলে আরোও লাভবান হবেন তারা।

 

আজকের সর্বশেষ সব খবর